🇺🇸 যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল বনাম ইরান: সামরিক সংঘাত ও অঞ্চলের সংকট – একটি বিশ্লেষণ

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সকালে মধ্যপ্রাচ্যে ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিলিটারি ঘটনা ঘটেছে — যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল মিলিতভাবে ইরানের প্রতি বড় আক্রমণ শুরু করেছে, যা ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া, পাল্টা হামলা এবং আন্তর্জাতিক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

🧨 কেন এই হামলা? পেছনের কারণ

  • ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক মিসাইল উন্নয়ন, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রভাবিত করছে বলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দাবি করে এসেছে।

    • বর্ধমান কূটনৈতিক সহযোগিতা এবং ব্যর্থ শান্তি আলোচনা, যেখানে জেনেভায় চলা আলোচনাগুলি শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছায়নি।

  • অভ্যন্তরীণ ইরানি পরিস্থিতি — বিরোধী সরকার বিক্ষোভ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা — যা যুদ্ধ অনির্বচনীয় করে তুলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই যৌথ অভিযানের লক্ষ্য হিসেবে বলেছেন যে এটির লক্ষ্য ইরানের অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা ধ্বংস করা এবং “ইরানিদের জন্য স্বাধীনতা” নিশ্চিত করা।

সক্রিয়ভাবে আরম্ভ হওয়া হামলায় লক্ষ্য করা হয়েছে:

    • তেহরানসহ ইরানের একাধিক শহরে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র strikes

  • ইরানের মিলিটারি ইনফ্রাস্ট্রাকচার, বিশেষত ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর হেডকোয়ার্টার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

  • বিস্ফোরণ ও ধোঁয়া তেহরান, ইসফাহান এবং তাবরিজের মতো প্রধান শহরে দেখা গেছে।

ইরান এই হামলার পর মুহূর্তেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে:

    • ইরানি সামরিক বাহিনী মিসাইল ও ড্রোন আক্রমণ চালিয়েছে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনার দিকে, যেমন বাহরাইনের নৌবাহিনী কেন্দ্র, কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

  • বিভিন্ন উপসাগরী দেশেও ধ্বংসাবশেষ ও বিস্ফোরণ সংক্রান্ত খবর এসেছে।

 

এই সংঘাত একটি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করছে, যেখানে:

    • কূটনৈতিক উপায় এখনও বন্ধ হয়নি — আলোচনা ও মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা চলছে।

  • যুদ্ধের পরিধি আরো বড় হতে পারে, যদি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র/ইজরায়েল সম্মুখ সমরে না আসে।

  • বিশ্ব শক্তি বাজারে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।

 

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *